ক্রিকেট বেটিং

tkk 11-এ ক্রিকেট বেটিং — T20 থেকে টেস্ট পর্যন্ত সব ফরম্যাটে বাজি ধরুন

BPL, IPL ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট নিয়ে tkk 11-এর স্পোর্টস বিভাগে পাওয়া যায় ম্যাচ উইনার, টস, টপ ব্যাটসম্যান-সহ একাধিক মার্কেট। ফুটবল ও অন্যান্য খেলাও একই প্ল্যাটফর্মে।

BPL ও IPL মার্কেট
লাইভ ইন-প্লে বেটিং
মোবাইলে সহজলভ্য
৳৫০০ থেকে শুরু

ক্রিকেটের তিনটি ফরম্যাট ও বাংলাদেশিদের প্রিয় টুর্নামেন্ট

ক্রিকেট বেটিং বুঝতে হলে প্রথমে ফরম্যাটের পার্থক্য জানা দরকার। T20 হলো সবচেয়ে দ্রুতগতির — প্রতিটি দলে মাত্র ২০ ওভার, তাই প্রতিটি বলেই অডস বদলায়। BPL (বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ) ও IPL এই ফরম্যাটেই হয়, এবং বাংলাদেশি দর্শকদের কাছে এ দুটো টুর্নামেন্ট সবচেয়ে জনপ্রিয়।

ODI বা একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে ৫০ ওভার থাকে। খেলার গতি T20-র চেয়ে ধীর, কিন্তু পরিকল্পনার জায়গা বেশি — পাওয়ারপ্লে, মিডল ওভার ও ডেথ ওভারের আলাদা চরিত্র থাকে। T20 World Cup ও ICC চ্যাম্পিয়নস ট্রফির মতো আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে ODI ও T20 উভয়ই দেখা যায়।

টেস্ট ক্রিকেট পাঁচ দিনের — এখানে একটা সেশনের ফলাফল পুরো দিনের অডস ঘুরিয়ে দিতে পারে। টাইগার্স যখন টেস্টে খেলে, সমর্থকরা প্রতিটি সেশনের হিসাব রাখেন। tkk 11-এ আন্তর্জাতিক টেস্ট সিরিজের মার্কেটও পাওয়া যায়।

tkk 11 ক্রিকেট ম্যাচ বেটিং ফরম্যাট T20 ODI টেস্ট
tkk 11 ফুটবল ও স্পোর্টস বেটিং বিভিন্ন খেলা

ফুটবল ও অন্য খেলাধুলায় বেটিং — পার্থক্যটা কোথায়

ক্রিকেটের পরেই বাংলাদেশে ফুটবলের ভক্ত সংখ্যা অনেক বেশি। প্রিমিয়ার লিগ, লা লিগা ও বিশ্বকাপের ম্যাচগুলোতে tkk 11-এর স্পোর্টস বিভাগে একাধিক মার্কেট পাওয়া যায়। ফুটবলে ড্র একটি বৈধ ফলাফল, তাই প্রতিটি ম্যাচে তিনটি সম্ভাবনা থাকে — হোম জয়, অ্যাওয়ে জয় বা ড্র। ক্রিকেটের T20 বা ODIতে সাধারণত ড্র হয় না, তাই সেখানে মাত্র দুটি সম্ভাবনায় অডস ভাগ হয়।

এ ছাড়া টেনিস, ব্যাডমিন্টন ও ই-স্পোর্টস মার্কেটও পাওয়া যায়। প্রতিটি খেলার নিজস্ব ছন্দ আছে — ক্রিকেটে উইকেট পড়লে অডস দ্রুত বদলায়, ফুটবলে গোলের পর পরিবর্তন আসে। tkk 11-এর tkk 11 Bet স্পোর্টস বিভাগে বিভিন্ন খেলার মার্কেট এক জায়গায় পাওয়া যায়।

৭টি জনপ্রিয় বেটিং মার্কেট — সহজ উদাহরণসহ

ক্রিকেট বেটিংয়ে এতগুলো মার্কেট থাকে যে নতুনরা প্রথমে একটু ঘাবড়ে যান। নিচে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত মার্কেটগুলো ব্যাখ্যা করা হলো।

ম্যাচ উইনার

কোন দল ম্যাচ জিতবে সেটা বাছাই করা সবচেয়ে সরল মার্কেট। দল A বনাম দল B — যে কোনো একটি বেছে নিন। T20তে একটি ওভারের ফলাফলও এই অডস বদলে দিতে পারে।

টস বেটিং

ম্যাচ শুরুর আগে কোন দল টস জিতবে — এই মার্কেটের ফলাফল খেলার প্রথম বলেই নিশ্চিত হয়ে যায়। অডস সাধারণত দুই দলের ক্ষেত্রে কাছাকাছি থাকে।

টপ ব্যাটসম্যান

একটি দলের মধ্যে কে সর্বোচ্চ রান করবেন সেটা বাছাই করতে হয়। ইনিংসের শুরুতে এই মার্কেটের অডস বেশি, কারণ যে কেউ শীর্ষে উঠতে পারেন।

টোটাল রান ওভার/আন্ডার

একটি নির্দিষ্ট সংখ্যার চেয়ে বেশি বা কম রান হবে — এই মার্কেট পিচ, আবহাওয়া ও বোলিং আক্রমণ মাথায় রেখে বিশ্লেষণ করা যায়। উদাহরণ: ওভার/আন্ডার ১৬০ রান।

মাল্টি বেট

একসাথে কয়েকটি সিলেকশন জুড়ে দেওয়া — সবগুলো সঠিক হলে সম্মিলিত অডসে রিটার্ন পাওয়া যায়। তিনটি সিলেকশন ১.৫০, ১.৬০ ও ১.৮০-তে একসাথে রাখলে সম্মিলিত অডস হয় ১.৫০ × ১.৬০ × ১.৮০ = ৪.৩২ (প্রায়), তাই ৳১০০ বাজিতে রিটার্ন ৳৪৩২ — তবে একটি সিলেকশন হারলেও পুরো বাজি যায়।

প্রথম উইকেট পড়ার ওভার

কোন ওভারে প্রথম উইকেট পড়বে — এই মার্কেটে সঠিক ওভার বাছাই করলে অডস বেশ বেশি থাকে। ওপেনার ব্যাটসম্যানদের ফর্ম ও বোলারদের সুইং প্রাসঙ্গিক।

সিরিজ বিজয়ী

একাধিক ম্যাচের সিরিজে কোন দল বেশি ম্যাচ জিতবে সেটা বাছাই করা। সিরিজ শুরুর আগে বাজি ধরলে অডস বেশি থাকে; প্রতিটি ম্যাচের পর অডস বদলায়।

অডস পড়ার তিনটি পদ্ধতি — সংখ্যাগুলো কী বোঝায়

বেটিং সাইটে অডস তিনভাবে লেখা হয় — ডেসিমাল, ফ্র্যাকশনাল ও আমেরিকান। tkk 11-এর স্পোর্টস বিভাগে সাধারণত ডেসিমাল ফরম্যাট ব্যবহার হয়, তবে অন্য ফরম্যাটে কীভাবে পড়তে হয় সেটাও জানা দরকার।

উদাহরণ ১ — একই অডস তিন ফরম্যাটে:
দল A জিতবে, ৳২০০ বাজি: ডেসিমাল ২.৫০ = ফ্র্যাকশনাল ৩/২ = আমেরিকান +১৫০। বাজি জিতলে ফেরত আসে ৳৫০০ (৳৩০০ লাভ + ৳২০০ বাজি); হারলে ৳২০০ যায়।

উদাহরণ ২ — ফেভারিটের অডস:
দল B জিতবে: ডেসিমাল ১.২৫ = ফ্র্যাকশনাল ১/৪ = আমেরিকান -৪০০ (আমেরিকান মাইনাস অডস মানে ১০০ টাকা লাভের জন্য কত বাজি দিতে হয়)। ৳২০০ বাজিতে ফেরত ৳২৫০ (৳৫০ লাভ)।

ডেসিমাল সংখ্যা যত বেশি, অডস তত বেশি — অর্থাৎ বুকমেকার ওই ফলাফলকে কম সম্ভাব্য মনে করছে। ফ্র্যাকশনাল ৩/২ মানে প্রতি ৳২ বাজিতে ৳৩ লাভ। আমেরিকান প্লাস অডস দেখায় ৳১০০ বাজিতে কত লাভ; মাইনাস অডস দেখায় ৳১০০ লাভের জন্য কত বাজি দরকার।

tkk 11 অডস ফরম্যাট ডেসিমাল ফ্র্যাকশনাল ব্যাখ্যা
tkk 11 লাইভ ইন-প্লে বেটিং ম্যাচ চলাকালীন
লাইভ বেটিং

ম্যাচ চলাকালীন লাইভ ইন-প্লে — উইকেটে উইকেটে অডস বদলায়

লাইভ ইন-প্লে বেটিং মানে ম্যাচ শুরু হওয়ার পরও বাজি ধরার সুযোগ। tkk 11-এ খেলা চলাকালীন মার্কেট খোলা থাকে এবং প্রতিটি উইকেট বা ওভারের সাথে অডস রিয়েল-টাইমে আপডেট হয়।

উদাহরণ হিসেবে ধরুন, একটি T20 ম্যাচে দল A ১০ ওভারে ৭ উইকেটে ৮০ রান তুলেছে। এই মুহূর্তে দল A-র জয়ের অডস বেশি হয়ে যাবে, কারণ পরিস্থিতি তাদের বিপক্ষে। ঠিক এই মুহূর্তে দল B-র উপর বাজি ধরলে কম পরিমাণ বাজিতে বেশি রিটার্নের সুযোগ থাকে।

ODI বা টেস্টে এই পরিবর্তন আরও ধীরে আসে। একটি পার্টনারশিপ জমে উঠলে ব্যাটিং দলের অডস ধীরে কমে আসে। পাঁচ দিনের টেস্টে পিচের অবস্থা, আলোর পরিমাণ ও ড্র-এর সম্ভাবনা সবই লাইভ অডসকে প্রভাবিত করে।

লাইভ বেটিং মজার, কিন্তু দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার চাপ থাকে। প্রতিটি বাজির আগে নিজের বাজেটের কথা মাথায় রাখুন — বিনোদনের জন্য খেলুন, তাড়াহুড়ো করে নয়।

বেটিং শুরুর আগে কাজে লাগে এমন কিছু পরামর্শ

বেটিং একটি বিনোদন। নিচের পরামর্শগুলো ক্রিকেট বেটিংকে আরও সচেতনভাবে উপভোগ করতে সাহায্য করবে।

১

এক ম্যাচের সব বাজি একসাথে না ধরে বিভিন্ন মার্কেটে ছড়িয়ে দিন। ম্যাচ উইনার ও টোটাল রান একসাথে ট্র্যাক করা যায়।

২

মাল্টি বেটে সম্মিলিত অডস বেশি আকর্ষণীয় লাগে, কিন্তু একটি সিলেকশন হারলেও পুরো বাজি হারায় — ঝুঁকির পরিমাণটা মাথায় রাখুন।

৩

T20 ম্যাচে লাইভ বেটিং খুব দ্রুত বদলায়। নির্দিষ্ট বাজেট ঠিক করে শুরু করুন এবং সেই বাজেটের বাইরে না যাওয়াই ভালো অভ্যাস।

৪

ফরম্যাট বুঝে মার্কেট বাছুন। টেস্টে "ড্র" একটি বৈধ ফলাফল, তাই সেখানে ম্যাচ উইনার মার্কেটের অডস T20-র চেয়ে আলাদা হয়।

৫

হারের পর বেশি বাজি ধরে "ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া"র চেষ্টা না করাই ভালো — প্রতিটি ম্যাচ নতুন, আগেরটার সাথে যোগসূত্র নেই।

৬

দায়িত্বশীলভাবে খেলা সম্পর্কে আরও জানতে tkk 11-এর দায়িত্বশীল খেলার নির্দেশিকা পড়ুন।

tkk 11-এ ক্রিকেট বেটিং শুরু করুন

নতুন অ্যাকাউন্টে প্রথম ডিপোজিটে ১২০% বোনাস, সর্বোচ্চ ৳৮,০০০ পাওয়া যায় (ওয়েজারিং বোনাসের ১৫ গুণ)। সর্বনিম্ন ডিপোজিট ৳৫০০ — bKash, Nagad বা Rocket-এর মাধ্যমে জমা করা যায়। উইথড্রও একই তিনটি পদ্ধতিতে, সাধারণত ১ ঘণ্টার মধ্যে প্রক্রিয়া হয়। এ ছাড়া ক্রিকেট উৎসব বোনাসে স্পোর্টস বিভাগে জমায় ৩০% পর্যন্ত বোনাস পাওয়া যায়, সর্বোচ্চ ৳৩,০০০ (ওয়েজারিং ২০ গুণ, প্রতি সপ্তাহে একবার)।

tkk 11-এর VIP প্রোগ্রামে নিয়মিত খেললে Bronze থেকে Platinum পর্যন্ত ধাপে ধাপে সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক পাওয়া যায়। tkk 11 VIP সদস্যতার বিস্তারিত জানুন।

৳৮,০০০
সর্বোচ্চ স্বাগত বোনাস
৳৫০০
সর্বনিম্ন ডিপোজিট
১২০%
প্রথম জমায় বোনাস
১ ঘণ্টা
উইথড্র সময়

tkk 11-এর অন্যান্য বিভাগ — আরও যা পাবেন

ক্যাসিনো গেম

গোল্ডেন ব্যাংক

ক্রিকেট বেটিংয়ের পাশাপাশি একটু ভিন্ন ধরনের গেম খেলতে চাইলে গোল্ডেন ব্যাংক বিভাগটি দেখুন। সেখানে ক্যাসিনো-স্টাইলের গেম পাওয়া যায়।

গোল্ডেন ব্যাংক গেম বিভাগে যান
লাইভ ক্যাসিনো

ডাব্লিউ লাইভ

লাইভ ডিলারের সাথে রিয়েল-টাইমে খেলতে চাইলে ডাব্লিউ লাইভ বিভাগে Evolution ও Ezugi-র লাইভ ক্যাসিনো গেম পাওয়া যায়।

ডাব্লিউ লাইভ ক্যাসিনো গেম দেখুন
এই প্ল্যাটফর্মের সকল বেটিং ও গেমিং সেবা শুধুমাত্র ২১+ বয়সের জন্য। দায়িত্বশীলভাবে খেলুন।

ক্রিকেট বেটিং সম্পর্কে প্রশ্ন

হ্যাঁ, পার্থক্য আছে। T20তে খেলা মাত্র ৪০ ওভারের, তাই প্রতিটি মুহূর্তে লাইভ অডস দ্রুত বদলায় এবং বেশিরভাগ মার্কেট শেষ হয় দ্রুত। ODIতে ১০০ ওভার থাকায় বিভিন্ন পর্যায়ে — পাওয়ারপ্লে, মিডল ওভার ও ডেথ ওভার — আলাদা মার্কেট পাওয়া যায়। টেস্টে পাঁচ দিনজুড়ে ইনিংস চলে এবং ড্র একটি সম্ভাব্য ফলাফল, তাই ম্যাচ উইনার মার্কেটে তিনটি অপশন থাকতে পারে।

মূল মার্কেটগুলো — ম্যাচ উইনার, টোটাল রান, টপ ব্যাটসম্যান — উভয় টুর্নামেন্টেই পাওয়া যায়। তবে IPL বড় টুর্নামেন্ট হওয়ায় সেখানে সাধারণত বেশি মার্কেট ও বেশি লিকুইডিটি থাকে। BPL বাংলাদেশের ঘরোয়া টুর্নামেন্ট — স্থানীয় দলগুলোর খেলা সম্পর্কে বাংলাদেশি বেটরদের বেশি ধারণা থাকায় এটি অনেকের কাছে পছন্দের।

না, সব মার্কেট সব সময় খোলা থাকে না। টস মার্কেট শুধু ম্যাচের আগে পাওয়া যায়। কিছু মার্কেট নির্দিষ্ট ওভার পার হলে বন্ধ হয়ে যায়। লাইভ বেটিংয়ে সাধারণত ম্যাচ উইনার, নেক্সট উইকেট ও কারেন্ট ওভারের রান মার্কেট সবচেয়ে বেশি সময় খোলা থাকে। ম্যাচ চলাকালীন কোনো টেকনিক্যাল বিরতি হলে মার্কেট সাময়িকভাবে বন্ধ হতে পারে।

মাল্টি বেটে সবগুলো সিলেকশন সঠিক হলেই কেবল পুরো রিটার্ন পাওয়া যায়। একটিও হারলে পুরো বাজি হারিয়ে যায় — আংশিক রিটার্ন হয় না। উদাহরণস্বরূপ, তিনটি সিলেকশনে ১.৫০, ১.৬০ ও ১.৮০ অডসে ৳১০০ বাজি দিলে সম্মিলিত অডস হয় প্রায় ৪.৩২; তিনটি জিতলে ফেরত ৳৪৩২, কিন্তু একটি হারলে ৳১০০ সম্পূর্ণ যায়।

অডস পড়ার পদ্ধতি একই — ডেসিমাল, ফ্র্যাকশনাল বা আমেরিকান সব খেলায় একইভাবে কাজ করে। পার্থক্য হলো সম্ভাব্য ফলাফলের সংখ্যায়। ক্রিকেটের T20 বা ODIতে সাধারণত শুধু দুটো ফলাফল (হয় দল A জিতবে, নয়তো দল B), তাই দুটো মূল অডস। ফুটবলে হোম জয়, অ্যাওয়ে জয় ও ড্র — তিনটি সম্ভাবনা আছে, তাই তিনটি অডস থাকে এবং প্রতিটির মান সাধারণত একটু বেশি হয়।

tkk 11-এর সম্পর্কিত বিভাগ